মত প্রকাশের স্বাধীনতা একটি মৌলিক মানবাধিকার যা গণতন্ত্র এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে আমাদের সংবিধান এই অধিকারটি নিশ্চিত করেছে, তবে এটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। আজ আমরা আমাদের দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতার বর্তমান এবং অতীত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করব।
বর্তমান পরিস্থিতি সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনের মতে, বাংলাদেশের মত প্রকাশের স্বাধীনতা বর্তমানে অতীতের তুলনায় তুলনা মুলক কম সংকটে রয়েছে। ২০২৪ সালে, এই সূচকে আমরা ১৬১টি দেশের মধ্যে ১২৮তম স্থানে ছিলাম।
মূল সমস্যা এই সংকট সৃষ্টি হওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: এই আইন অনলাইন বক্তব্যের জন্য ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও আটক করতে ব্যবহৃত হয়েছে। সাংবাদিকদের উপর হামলা: সাংবাদিকরা তাদের কাজের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি, হয়রানি এবং এমনকি সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। আত্ম-নিয়ন্ত্রণ: প্রতিক্রিয়ার ভয়ে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস করেন না। অনলাইন নজরদারি: সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অনলাইন সামগ্রী ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে। সমাজের উপর প্রভাব এই বিধিনিষেধের সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে: রাজনৈতিক বিতর্ক এবং সমালোচনার দমন পারদর্শিতা এবং জবাবদীহিতার অভাব গবেষণাধর্মী সাংবাদিকতার বাধা মুক্ত বক্তব্যের প্রতি ভীতিকর প্রভাব, বিশেষ করে অনলাইনে। সাংবিধানিক সুরক্ষা “আমাদের মনে রাখতে হবে যে সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে, এই অধিকার ‘যৌক্তিক সীমাবদ্ধতার’ অধীন।” আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি “বর্তমান পরিস্থিতীতে গনমাদ্ধমে আগের তুলনায় কিছুটা হলেও স্বস্তি বিরাজমান।” আহ্বান তবে পরিস্থিতি আরো উন্নত করতে আমাদের উচিত: যেসব আইন মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সীমিত করে সেগুলি সংস্কার বা বাতিল করা। সাংবাদিকদের হয়রানি এবং সহিংসতা থেকে রক্ষা করা। গণমাধ্যম সচেতনতা এবং ডিজিটাল অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে খোলামেলা সংলাপকে উৎসাহিত করা।” উপসংহার মত প্রকাশের স্বাধীনতা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। এই অধিকার রক্ষার জন্য একসঙ্গে কাজ করলে, আমরা একটি আরও উন্মুক্ত, স্বচ্ছ এবং ন্যায়বিচারপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে পারব।
মূল সমস্যা এই সংকট সৃষ্টি হওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: এই আইন অনলাইন বক্তব্যের জন্য ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও আটক করতে ব্যবহৃত হয়েছে। সাংবাদিকদের উপর হামলা: সাংবাদিকরা তাদের কাজের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি, হয়রানি এবং এমনকি সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। আত্ম-নিয়ন্ত্রণ: প্রতিক্রিয়ার ভয়ে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস করেন না। অনলাইন নজরদারি: সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অনলাইন সামগ্রী ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে। সমাজের উপর প্রভাব এই বিধিনিষেধের সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে: রাজনৈতিক বিতর্ক এবং সমালোচনার দমন পারদর্শিতা এবং জবাবদীহিতার অভাব গবেষণাধর্মী সাংবাদিকতার বাধা মুক্ত বক্তব্যের প্রতি ভীতিকর প্রভাব, বিশেষ করে অনলাইনে। সাংবিধানিক সুরক্ষা “আমাদের মনে রাখতে হবে যে সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে, এই অধিকার ‘যৌক্তিক সীমাবদ্ধতার’ অধীন।” আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি “বর্তমান পরিস্থিতীতে গনমাদ্ধমে আগের তুলনায় কিছুটা হলেও স্বস্তি বিরাজমান।” আহ্বান তবে পরিস্থিতি আরো উন্নত করতে আমাদের উচিত: যেসব আইন মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সীমিত করে সেগুলি সংস্কার বা বাতিল করা। সাংবাদিকদের হয়রানি এবং সহিংসতা থেকে রক্ষা করা। গণমাধ্যম সচেতনতা এবং ডিজিটাল অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে খোলামেলা সংলাপকে উৎসাহিত করা।” উপসংহার মত প্রকাশের স্বাধীনতা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। এই অধিকার রক্ষার জন্য একসঙ্গে কাজ করলে, আমরা একটি আরও উন্মুক্ত, স্বচ্ছ এবং ন্যায়বিচারপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে পারব।